August 9, 2026, 10:29 am
বগুড়া প্রতিনিধিঃ বগুড়ায় র্যাব ও ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে শজিমেকে’র দালাল চক্রের ১৪ দালালকে সাজা ও জরিমানা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত এ অভিযান চালানো হয়।
সাজা ও দন্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন, বগুড়া জেলার সাবরুল এলাকার মোঃ হাকিমের ছেলে মোঃ রিপন (৩০), একই এলাকার মোঃ ইউফুস সরদারের ছেলে মোঃ রফিকুল ইসলাম (৩৫), ঠনঠনিয়া এলাকার শ্রী অজিত সরকারের ছেলে শ্রী ভুলু সরকার (৩৮), হুমকাপুর এলকার মৃত সবেত আলীর ছেলে মোঃ সাইফুল ইসলাম (৫০), তেলিকাটা এলাকার মোঃ আঃ কাদেরে ছেলে মোঃ শফিকুল ইসলাম (৪০), গাবতলী থানার ময়নাতলা এলাকার মৃত রাখাল চন্দ্র রায়ের ছেলে শ্রী রতিশ চন্দ্র রায় (৪০), শাজাহানপুর থানার বেতগাড়ী এলাকার মৃত কফিল উদ্দিন ফকিরের ছেলে মোঃ সাইফুল ইসলাম (৫৭) প্রত্যেককে ১ মাস করে বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেন এবং বগুড়ার শাজাহানপুর থানার মোঃ আজিজার রহমানের মেয়ে মোছা রুমা বেগম (৩৫)কে ৫০ হাজার টাকা, চকলোকমান এলাকার আঃ হান্নান সরকারের ছেলে মোঃ আনিছুর রহমান (৪০) কে ৫ হাজার টাকা, ঠনঠনিয়া এলাকার মৃত রমজান আলীর ছেলে মোঃ আমিনুল ইসলাম আমিন (৩৯)কে ৫ হাজার টাকা, চক সুত্রাপুর এলাকার মোঃ সিদ্দিক শেখের ছেলে মোঃ রুবেল শেখ (৪০) কে ৫ হাজার টাকা, সদরের শাখারিয়া এলাকার মোঃ সাদেক আলীর ছেলে মোঃ শহিদুল ইসলাম (৫২)কে ৫ হাজার টাকা, হড়িগাড়ী এলাকার মোঃ কামাল প্রামানিকের ছেলে মোঃ সাত্তার প্রামানিক(২৬)কে ৫ হাজার টাকা, নরোইল এলাকার মৃত গফুর শেখের ছেলে মোঃ বেলাল হোসেন (৫০)কে ৫ হাজার টাকা । সর্বমোট ৮০ হাজার টাকা অর্থদন্ডপুর্বক মুক্তি প্রদান করা হয়।

জানা গেছে, র্যাব-১২ এর সিপিএসসি, বগুড়া ক্যাম্প তার গোয়েন্দা নজরদারীর মাধ্যমে জানতে পারে যে, বগুড়া সরকারী শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে বগুড়া অঞ্চলের জনগণ উন্নত চিকিৎসার জন্য এসে থাকে। এখানে এক শ্রেনীর দালাল চক্র মেডিকেল কলেজের ভিতরে ও বাহিরে ওৎ পেতে থাকে যেন তারা নিরীহ মানুষকে প্রতারিত করতে পারে। তারা রোগীদের অতিরিক্ত টেষ্ট ও বিভিন্ন ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাওয়াসহ প্রতারিত করে এবং দালালি করে সরকারী হাসপাতালে সেবা গ্রহণ থেকে বিরত রাখে এবং বিভিন্ন ডায়াগনস্টিক সেন্টারে তাদেরকে নিয়ে যায়। এ তথ্যের ভিত্তিতে বগুড়া র্যাব ক্যাম্পের কোম্পানী কমান্ডার লেঃ কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুন, (জি), বিএন এর নেতৃত্বে (১৭ মে) বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে। উক্ত ভ্রাম্যমান আদালতকে সহযোগীতা করেন বগুড়া জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ নাছিম রেজা।